যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড হতে পারে

কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন

ভোট কেন্দ্র, পেছনে যুক্তেরাষ্ট্রের পতাকা

ছবির উৎস, Getty Images

    • Author, ম্যাক্স মাৎজা
  • Published ২ মিনিট আগে

  • পড়ার সময়: ৪ মিনিট

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর অল্প কয়েকদিন বাকি আছে, যে নির্বাচন নির্ধারণ করবে আগামী দুই বছরের জন্য কোন দল কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করবে। এর মধ্যেই ৪৩ মিলিয়ন, অর্থাৎ, চার কোটি ৩০ লাখের বেশি আমেরিকান ভোট দিয়েছেন।

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন গবেষণাগারের তথ্য থেকে জানা গেছে যে, প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ লাখ আগাম ভোট পড়ছে, যা পূর্ববর্তী বেশিরভাগ নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি।

ডেটাবেসটির পরিচালক অধ্যাপক মাইক ম্যাকডোনাল্ড বলেন, টেক্সাসে গড়ে যে পরিমাণ ভোট পড়ে, এখন পর্যন্ত তার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। হিস্পানিক সম্প্রদায়গুলোতেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভোটার উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

সামগ্রিক ভোটদানের হার ২০২০ সালকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে, এমনকি সম্ভবত ২০১৮ সালকেও ছাড়িয়ে যাবে, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ১৯১৪ সালের সামগ্রিক ভোটদানের হারের রেকর্ড ভেঙেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবনে দেশটির পতাকা উড়ছে

ছবির উৎস, Getty Images

ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, টেক্সাসে ইতোমধ্যে ২০২২ সালের সংখ্যাকে, প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার আগাম ভোট পড়েছিল তখন, সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই রাজ্যে ৫৮ লাখেরও বেশি ভোট পড়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন বাকি মেয়াদে সেনেটের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে তা নির্ধারণ করতে পারে।

যেসব রাজ্যে ভোটারদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিবন্ধন করতে হয়, সেখানকার তথ্য অনুযায়ী ডেমোক্র্যাটদের প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে রিপাবলিকানদের আগাম ভোটের সংখ্যা ২০২২ সালের তুলনায় মোটামুটি একই রকম রয়েছে।

ম্যাকডোনাল্ড বলেন, যেসব ভোটার কোনো নির্দিষ্ট দলে নিবন্ধন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদের মধ্যেও আগাম ভোটদানের হার বেড়েছে, তবে তারা কোন প্রার্থীদের বেছে নিয়েছেন তা এই তথ্যে দেখা যায় না।

Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading

সর্বাধিক পঠিত

  • বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি

  • টানা অবরোধে অচলবস্থা চলছে সাজেকে

  • ৫০০ টাকার নোট, এর নিচে ১০০ টাকা ও ৫০ টাকার নোটের বান্ডিল

  • একটি চার্টের ওপর ভেঙে ফেলা ক্রুশ

End of সর্বাধিক পঠিত

বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগাম ভোটের ৪৪ শতাংশ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা এবং ৩১.২ শতাংশ দিয়েছেন রিপাবলিকানরা। আরও ২৪.৭ শতাংশ ভোট দিয়েছেন এমন ভোটাররা, যাদের কোনো দলীয় পরিচয় ছিল না। তবে, এই পরিসংখ্যানটি কেবল সেই প্রায় অর্ধেক রাজ্যের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যেখানে ভোটারদের দলীয় পরিচয় থাকা বাধ্যতামূলক।

তিনটি রাজ্যে ভোটারদের নিবন্ধনের সময় তাদের জাতি উল্লেখ করতে হয় - নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া এবং ফ্লোরিডা। এই রাজ্যগুলোর তথ্য থেকে দেখা যায় যে হিস্পানিক এবং কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গদের ভোটদানের হার ২০২২ সালের আগাম ভোটের পরিসংখ্যানের সমান রয়েছে।

"এটা যৌক্তিক, কারণ অশ্বেতাঙ্গ সম্প্রদায়গুলো প্রায়শই ডেমোক্র্যাটিক জোটের অংশ হয় এবং শ্বেতাঙ্গরা প্রায়শই রিপাবলিকান জোটের অংশ হয়," ম্যাকডোনাল্ড বলেন।

Skip বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন: and continue readingবিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, EPA

টেক্সাসে ভোটারদের দলীয় পরিচয় বা জাতি উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তথ্য থেকে দেখা যায়, মেক্সিকো সীমান্তবর্তী কিছু কাউন্টিতে ভোটদানের হার ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যেগুলোর ৯০ শতাংশেরও বেশি অধিবাসী হিস্পানিক।

ম্যাকডোনাল্ড বলেন, "আমি যখন ওই কাউন্টিগুলোর দিকে তাকাই, তখন দেখতে পাই যে, তাদের মধ্যে কয়েকটি শুধু আগাম ভোটেই ২০২২ সালের ভোটার উপস্থিতিকে ছাড়িয়ে যাবে।"

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আগাম ভোটদানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মূল চালিকাশক্তি ছিল কোভিড মহামারি। এই সময়ে আরও বেশি রাজ্য সশরীরে এবং ডাক বিভাগের মাধ্যমে আগাম ভোট দেওয়ার সুযোগ চালু করে।

২০২০ সালের নির্বাচনে, যখন ভোটাররা পরবর্তী প্রেসিডেন্ট এবং আইনপ্রণেতা উভয়কেই বেছে নিচ্ছিলেন, তখন মোট ভোটের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আগাম দেওয়া হয়েছিল। এই আগাম ভোটগুলোর অর্ধেক আবার ডাকযোগে দেওয়া হয়েছিল।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ লাখ আগাম ভোট পড়ছে

ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ভোটাররা ক্রমশ সশরীরে ভোট দিতেই বেশি পছন্দ করছেন, এমনকি আগাম ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রেও। তারা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় আরও আগে তাদের ব্যালটও ফেরত দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন যে, তার বিশ্বাস ডাকযোগে ভোটদান সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এমনটা হতে পারে, কিন্তু কী কারণে এটি ঘটছে তা নির্দেশ করার মতো কোনো তথ্য নেই।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ভুলের কারণে ডাকযোগে দেওয়া ভোট বাতিল হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে এবং কিছু ভোটার মার্কিন ডাক পরিষেবায় হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে পারেন।

কিছু কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই রেকর্ড ভাঙার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার মিনিয়াপোলিস শহর জানিয়েছে যে, তারা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগাম ভোটের রেকর্ড স্থাপন করেছে।

তেসরা নভেম্বর, মঙ্গলবারের নির্বাচনের আগের দিনগুলোয় রাজ্যগুলো আগাম ভোটদানের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়ায়, আগাম ভোটদান শিগগিরই কমে আসবে।

Source: BBC Bangla · ম্যাক্স মাৎজা

At a glance

Topic
World
Country
🇧🇩 BD
Publisher language
BN
Added to Allnira