পত্রিকা: 'নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার'

কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন

পত্রিকা

Published ৩ মিনিট আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

পহেলা নভেম্বর নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেবে সরকার। এজন্য বাড়তি ব্যয় সংস্থানে সরকার চলতি মাসে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের বিষয়টি রয়েছে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত অধিকাংশ সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে।

খবরে বলা হচ্ছে, নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো অনুযায়ী পহেলা নভেম্বর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেবে সরকার। ওইদিন অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে আগের তিন মাসের জন্য নতুন বেতনের বকেয়াও পরিশোধ করা হবে।

বাড়তি এ ব্যয় সংস্থানে সরকার চলতি মাসে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডেকেছে। এ নিলামের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে।

দেশের ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেয়ার জন্য সরকার সাধারণত ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করে। রাজস্ব আয় ও দৈনন্দিন বা মাসিক ব্যয়ে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হলে অল্প সময়ের জন্য ১৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ছাড়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের বিশেষ বিল ইস্যুর প্রয়োজন হয়নি।

হঠাৎ বিশেষ বিল ইস্যুর কারণ জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বণিক বার্তাকে বলেন, 'রোববার তথা ১ নভেম্বর সরকার নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করবে। এজন্য বাড়তি টাকার প্রয়োজন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ১৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের নিলাম আহ্বান করা হয়েছে।'

বণিক বার্তা

Skip বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন and continue readingবিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন

End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন

মানবজমিন

'৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান' মানবজমিনের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জাপান সফরের দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading

সর্বাধিক পঠিত

  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি

  • হুথিদের হামলা

  • অনেক শিশুর সঙ্গে বসে আছেন মোহাম্মদ সাদিক

End of সর্বাধিক পঠিত

টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ দুই নেতার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দু'দেশের সম্পর্ককে 'কৌশলগত অংশীদারিত্বে' উন্নীত করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং শিল্পায়নে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েনের (৬.৩ বিলিয়ন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

ওদিকে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা, ৬টি প্রধান বিভাগীয় শহরকে সংযুক্ত করে দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, দেশব্যাপী উড়াল সড়ক নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'রাশিয়ায় যুদ্ধে জোর করে নেওয়া হয় বাংলাদেশিদের' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা ও জবরদস্তির মাধ্যমে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন।

কমিশন বলেছে, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় দালালদের সঙ্গে সমন্বয় করে রুশ কর্তৃপক্ষ এই মানব পাচার করেছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক ভিসার অনুলিপিও পেয়েছে কমিশন, যাতে রাশিয়ার একটি বেসামরিক কোম্পানির আমন্ত্রণের উল্লেখ রয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের (ওএইচসিএইচআর) দপ্তরের ওয়েবসাইটে ২৬শে অক্টোবর প্রকাশিত একটি খসড়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে উপস্থাপনের জন্য প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে জাতিসংঘের ইউক্রেনবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কমিশন ৪৮টি দেশের নাগরিকদের রাশিয়ার বাহিনীতে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখে ২৯টি দেশের ক্ষেত্রে প্রতারণা বা জবরদস্তির প্রমাণ পেয়েছে।

তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আজারবাইজান, বেলারুশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদর, ঘানা, হন্ডুরাস, জর্ডান, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন ও জিম্বাবুয়ে।

Skip আরও পড়ুন and continue readingআরও পড়ুন

End of আরও পড়ুন

'রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে ২০ নভেম্বর' যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রূপপুর পারমাণবিককেন্দ্র থেকে ২০শে নভেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। ওই দিন থেকেই ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

ওই হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরীক্ষামূলকভাবে টানা ৪ দিন চলবে।

স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করলে আলোচিত এই কেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। কেন্দ্রটি চালু করার এমন একটি সূচি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে রাশিয়ান কোম্পানি রোসাটম।

তবে পারমাণবিককেন্দ্রটি চালু হয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ না করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।

রোববার যুগান্তরকে বলেছেন, নভেম্বরে চালুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও বেশকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে। দেখা যাক কি হয়। তিনি বলেন, আগেও অনেকবার বিদ্যুৎ উৎপাদনের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। এবার মনে হচ্ছে ঠিক পথে এগোচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, রূপপুরের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চূড়ান্ত হলে পিডিবির সঙ্গে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি হতে পারে। রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম প্রায় ১০ টাকা হতে পারে বলে কয়েকজন নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেছেন।

'পুলিশে দুই স্তরে নিয়োগ, এএসপি পদের অর্ধেক পদোন্নতির মাধ্যমে' সমকালের শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হচ্ছে, পুলিশের নিয়োগ ও পদোন্নতি ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার কমিটি। প্রস্তাব অনুযায়ী, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও কনস্টেবল- এ দুই পদে নিয়োগ হবে। বন্ধ হবে উপপরিদর্শক (এসআই) ও সার্জেন্ট পদে সরাসরি নিয়োগ।

এএসপি পদের ৫০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৫০ শতাংশ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের চিন্তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ১০ বছরে প্রায় ৭৮ হাজার নতুন পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাসে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কর্মকৌশল নির্ধারণে 'সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার' বিষয়ক কমিটি গঠন করা হয়।

হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদকে প্রধান করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

এই উপকমিটি গত চার মাসে একাধিক সভা করে সুপারিশমালা তৈরি করেছে। পুলিশ সদরদপ্তরের পলিসি গ্রুপে এসব সুপারিশ চূড়ান্ত হওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পুলিশে জবাবদিহির ঘাটতি রয়েছে। পুলিশ কতটা জনবান্ধব তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

খবরে বলা হচ্ছে, খুলনায় পৌনে ২৩ ঘণ্টায় চারটি ঘটনায় দুর্বৃত্তের হাতে তিনজন গুলিবিদ্ধ এবং একজন ছুরিকাহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের দুই নেতা রয়েছেন।

অপর দুটি ঘটনা ছিনতাইয়ের। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মহানগর এবং জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।

একের পর এক গুলির ঘটনায় খুলনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এভাবে খুলনা চলতে পারে না।

খুলনা বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, রাহাজানিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। কাজেই সন্ত্রাস দমনে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নের চক্রাখালী বাজারসংলগ্ন বাদশার দোকানের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন যুবদলের নেতা ওহিদুল ইসলাম বাদল। তিনি জলমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবদল খুলনা জেলা আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদযাপন শেষে ওহিদুল গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ির উদ্দেশে ফিরছিলেন। চক্রাখালী বাজারে পৌঁছালে মোটরসাইকেলযোগে আসা মুখোশ পরা দুই ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করে।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এক দিকে শিক্ষিত তরুণদের জন্য উপযুক্ত চাকরির অভাব, অন্য দিকে বেসরকারি বিনিয়োগের দুর্বলতা, শিল্প ও সেবা খাতে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের সীমাবদ্ধতা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের চাপ- সব মিলিয়ে শ্রমবাজারে তৈরি হয়েছে বহুমুখী সঙ্কট।

এর সাথে যুক্ত হয়েছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নারীদের কর্মসংস্থানের বাধা এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অনিরাপদ কাজ। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান নীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মূল্যায়ন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক গত ৬ই অক্টোবর প্রকাশিত 'বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদে' বলেছে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়েছে, বিনিয়োগ দুর্বল রয়েছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে; আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন।

ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি সঙ্কট ও রাজস্ব আহরণের সীমাবদ্ধতাকে অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।

আইএমএফের মূল্যায়নে উঠে এসেছে শিক্ষিত তরুণদের জন্য মানসম্মত কাজের সঙ্কট এবং শিক্ষা ও চাকরির চাহিদার মধ্যে অসামঞ্জস্য। অন্য দিকে এডিবি কারিগরি শিক্ষা, শিল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর তীব্র সংকটের মধ্যেই উপজেলা হাসপাতাল সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্প্রসারণে ৪৪ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা এবং গ্রামীণ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে ১১ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। দুই প্রকল্পে মোট ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে ৫৬ হাজার ৭৫০ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আইসিইউ, হৃদ‌রোগের চিকিৎসা, কিডনি ডায়ালিসিসসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা চালু এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে বিদ্যমান সরকারি স্বাস্থ্য খাতেই চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে শুধু চিকিৎসকের পদই খালি ৯ হাজারের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে নতুন অবকাঠামো পরিচালনা, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা চালু এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মহাখালীর ডিএনসিসি আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন রোগীদের ৯৮ শতাংশেরও বেশি হামের টিকা নেননি। দেশজুড়ে দুই ধাপে পরিচালিত জরুরি টিকাদান কর্মসূচির মাঝেও এটি টিকাদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঘাটতিকেই তুলে ধরে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, রোববার এই কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়া ৪৩৩ জন রোগীর মধ্যে মাত্র ছয়জন হামের টিকা নিয়েছিলেন। বর্তমান প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে, হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য এটিই দেশের একমাত্র বিশেষায়িত কেন্দ্র।

বাকি ৪২৭ জন রোগী টিকা নেননি; এদের মধ্যে ছয় মাসের কম বয়সী ২৬ জন শিশুও রয়েছে, যারা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসার মতো বয়সের ছিল না।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হামে আক্রান্ত রোগীদের টিকাদানের অবস্থা বিষয়ক কোনো দেশব্যাপী তথ্য নেই। তবুও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ডিএনসিসি আইসোলেশন সেন্টারের পরিসংখ্যান জাতীয় পরিস্থিতিরই প্রতিফলন; কারণ সেখানে দেশের ৬৪টি জেলা থেকেই রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Police map teen gangs; legal action remains tricky' অর্থাৎ 'কিশোর গ্যাংগুলোর মানচিত্র তৈরি করছে পুলিশ; আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জটিল'।

খবরে বলা হচ্ছে, কিশোর গ্যাং ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। তবে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও আটক করার বাইরেও তাদের সামনে একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেটি হলো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংগঠিত সহিংসতা, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও অন্যান্য অপরাধে কিশোরদের জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদর দপ্তর সব পুলিশ ইউনিটকে সক্রিয় গ্যাং, তাদের সদস্য এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শনাক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। যেসব প্রভাশালীরা এসব গ্যাংকে সংগঠিত করে, অর্থায়ন করে বা তাদের সুরক্ষা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অপরাধ ও অভিযান) মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‌'আমরা আট থেকে দশ দিন আগে সারা দেশের সব পুলিশ ইউনিটকে একটি নির্দেশনা দিয়েছি এবং শিগগিরাই তালিকাগুলো পাওয়ার আশা করছি। তালিকাগুলো পাওয়ার পর পুলিশ বৈঠক করবে এবং সমন্বিত কার্যক্রমের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করবে।

যাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—গতকাল এমন প্রশ্নের জবাবে সায়েদুর বলেন, তাদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, 'এই পদক্ষেপ তাদের বিরুদ্ধেই নেওয়া হবে, যারা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং রাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘন করে।"

Source: BBC Bangla · BBC News বাংলা

At a glance

Topic
World
Country
🇧🇩 BD
Publisher language
BN
Added to Allnira