পত্রিকা: 'হঠাৎ শ্রমিক বিক্ষোভ নেপথ্যে কী?'
কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন
Published ৪ মিনিট আগে
পড়ার সময়: ৬ মিনিট
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল সাভার, আশুলিয়া, মিরপুর ও গাজীপুরে হঠাৎ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা।
থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এসব এলাকায়। বিভিন্ন উৎপাদনমুখী শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মহাসড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এতে অন্তত ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে - আকস্মিক এই বিশৃঙ্খলার পেছনে শুধু সাময়িক দাবি-দাওয়াই নয়, এর পাশাপাশি বাজারদরের সঙ্গে মজুরির সামঞ্জস্যহীনতা এবং বিভিন্ন গ্রুপের উস্কানি রয়েছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
এই প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, হঠাৎ কেন এই শ্রমিক অসন্তোষ? এর পেছনে কি কেবল মজুরি বৃদ্ধির দাবি, নাকি অন্য কোনো এজেন্ডা আছে? এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে আজ (রোববার) মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে। এ অবস্থায় শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার কোনো কারণ নেই।
Skip বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন and continue readingবিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন
জোট ছাড়ার পরিকল্পনার কথা অস্বীকার নেতাদের
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। এতে ১১ দলীয় জোটের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading
সর্বাধিক পঠিত
End of সর্বাধিক পঠিত
এনসিপির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্যদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ কমিয়ে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। অন্তত পাঁচজন জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন, জোটের কর্মসূচিতে সীমিতভাবে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে নিজস্ব রাজনৈতিক কার্যক্রম বাড়াবে এনসিপি।
বৃহস্পতিবার ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অনুপস্থিতি এ দূরত্বের বিষয়টি আরও আলোচনায় এনেছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে মতপার্থক্য এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষের কারণে তিনি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন না।
তবে জোট ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নেতারা।
অক্টোবরে সারা দেশে গণপিটুনির ঘটনায় অন্তত ৩২ জন নিহত ও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিলেন ২৩ জন। সেই হিসাবে অক্টোবরে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে ১৪ জনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ ছিল। এ ছাড়া বিবাদ, চাঁদাবাজি, জমি নিয়ে বিরোধ, পূর্বশত্রুতা ও মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় অন্যদের মৃত্যু হয়েছে।
গণপিটুনির ঘটনা ছাড়াও অক্টোবরে ২৫টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
গণপিটুনিতে প্রাণহানির সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এমএসএফ। সংগঠনটি প্রতিটি মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপ এবং জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুর ও সাভার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। গাজীপুরের কালিয়াকৈরেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়েছে।
এ সময় ব্যস্ত সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়; বাড়ে জনভোগান্তি।
এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আবারও বলেছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রবিবার (আজ) মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে। এ অবস্থায় শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার কোনো কারণ নেই।
গতকাল রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রমমন্ত্রী।
নেপাল বাংলাদেশকে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সস্তা জলবিদ্যুৎ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই বিপুল বিদ্যুৎ আমদানির জন্য আঞ্চলিক সঞ্চালন লাইন (গ্রিড) নির্মাণের জন্য ভারতকে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্যুৎ সচিবদের ১৯তম সম্মেলনে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, বৈঠকে নিজেদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে (সেভেন সিস্টার্স) বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে বাংলাদেশের পার্বতীপুর দিয়ে ৭৬৫ কেভির হাইভোল্টেজ সঞ্চালন লাইনের (করিডর) অনুমোদন চেয়েছে ভারত।
তবে সমান সুযোগ ও আঞ্চলিক গ্রিড ব্যবস্থার নিশ্চয়তা ছাড়া ভারতকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে একক কোনো লাইন না দেওয়ার বিষয়ে শক্ত অবস্থান তুলে ধরেছে ঢাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থী এবং স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে। এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের চিত্র এবার প্রায় সব সূচকেই স্পষ্ট। পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মানবিক বিভাগে ফেল করেছে প্রায় ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। ইংরেজি ও আইসিটিতে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার পরীক্ষার্থী। এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী, বেড়েছে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। তবে এ বিপর্যয়ের মধ্যেও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালো ফল ধরে রেখেছে।
একই পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানভেদে ফলাফলের এমন বড় ব্যবধান শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, শিক্ষক সক্ষমতা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার দীর্ঘদিনের দুর্বলতাকেও সামনে এনেছে। তাই ফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতার চেয়ে ব্যবস্থাগত সংকটকে খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।
মহামারি, অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা ও শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতায় ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার।
কোভিড-১৯ মহামারিতে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা থেকে শুরু করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ও পরবর্তী অস্থিরতা, গত ছয় বছরে বারবার শিক্ষাব্যবস্থায় বিঘ্নের মুখে পড়েছে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।
এর প্রভাব পড়েছে এবারের পরীক্ষার ফলে। প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, আর পাসের হার নেমে এসেছে গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের এই বিপর্যয়কর ফলের পেছনে কয়েকটি কারণ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মহামারির কারণে পড়াশোনায় ঘাটতি, লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং পরিবারের আর্থিক চাপ।
ভূমিকাটি আরও সংক্ষিপ্ত ও তীক্ষ্ণ করুনশিরোনাম ও উপশিরোনাম আরও আকর্ষণীয় করুন
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের প্রভাব পড়তে পারে দেশের উচ্চশিক্ষায়। পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন খালি থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সরকারি মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ১৮ লাখ ৭ হাজার ৫৭৬টি আসন রয়েছে। বিপরীতে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৪৬৫ জন শিক্ষার্থী।
ফলে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজার ৮৯১টি আসন খালি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
ডিসেম্বরকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
মাসটিকে ঘিরে অতি উৎসাহী মনোভাবও দেখা যাচ্ছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে। ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন- এমনটি ধরে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াসহ অনলাইন ও অফলাইনে তাদের তৎপরতাও এখন চোখে পড়ার মতো।
দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিল, সমাবেশের চেষ্টা, আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে হোটেল-রেস্টুরেন্টে বৈঠক এবং পেশাজীবী সংগঠনের আড়ালে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে উপস্থিতির মাত্রা রাজনীতিতে একটা নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
Source: BBC Bangla · BBC News বাংলা
At a glance
- Topic
- World
- Country
- 🇧🇩 BD
- Publisher language
- BN
- Added to Allnira