পত্রিকা: 'বিশেষ পাসপোর্ট পাচ্ছে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা'
কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন
Published এক মিনিট আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
এই খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা বিশেষ পাসপোর্ট পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ২৪ হাজার ৩০০ জনের পাসপোর্ট সৌদি আরবে রোহিঙ্গাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের কাছে পাসপোর্ট পাঠানো হয়েছে। বাকিদের পাসপোর্ট চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ বৈঠক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে বাকি পাসপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, এসব ব্যক্তি বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট পাচ্ছেন না; তাদের দেওয়া হচ্ছে একধরনের বিশেষ পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট তাদের পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে। তবে এটি দিয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না, আবার সৌদি আরবের নাগরিকও হবেন না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকটি সূত্র জানায়, অতীতে বাংলাদেশের হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে বহু রোহিঙ্গা সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এখন সৌদি সরকার সেসব পাসপোর্ট নবায়নের জন্য চাপ দিচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিষয়টি সামনে এলে পাসপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়।
Skip বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন: and continue readingবিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading
সর্বাধিক পঠিত
End of সর্বাধিক পঠিত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এই খবরে বলা হয়েছে, পুলিশি অভিযানের সময় ধরে আনা নারীদের ভিডিও তুলে জনসমক্ষে অপমান করার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। কোনো অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগেই এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।
এসব ভিডিওর বড় অংশই সরাসরি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এমনকি অভিযোগ রয়েছে, টাকা আদায় করার জন্য কর্মকর্তারা এসব ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখান। দাবি মেনে না নিলে সত্যি সত্যিই তা ছড়িয়ে দেন।
পুরুষদের ক্ষেত্রেও একইভাবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বাসা বা গাড়িতে তল্লাশি, ব্যক্তিগত বিষয়ে নানারকম জেরা এবং জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও পোস্ট করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
মানবাধিকার কর্মীরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার ও আইনি সুরক্ষাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে এবং পুলিশের অভিযানকে সাধারণ মানুষের জন্য মুখরোচক তামাশায় পরিণত করে।
সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেছেন, 'এ ধরনের ভিডিও প্রচার করা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদার মারাত্মক লঙ্ঘন। তাছাড়া জোর করে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য না করার যে আইনি সুরক্ষা রয়েছে, এই চর্চা তার ওপরও আঘাত হেনে চলেছে।'
ভিউ ও প্রচারের লোভে সংবাদমাধ্যমে এক ধরনের 'লাইভ উন্মাদনা' তৈরি হয়েছে। আর পুলিশও নিজেদের ঢাক পেটাতে এসব ভিডিও ব্যবহার করছে— যোগ করেন তিনি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে বিদ্যমান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেকটিতেই পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও বাড়ছে।
নতুন করে আরও ১১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এসব আবেদনের সম্ভাব্যতা, প্রয়োজনীয়তা ও আইনি শর্ত পূরণের বিষয় যাচাইবাছাই করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
অথচ আসন ফাঁকা থাকা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান, শিক্ষক সংকট, স্থায়ী ক্যাম্পাস ও গবেষণার পরিবেশ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের প্ৰশ্ন, বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংকট নিরসন ও মানোন্নয়ন নিশ্চিত না করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের উদ্যোগ কতটা যৌক্তিক?
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি-বেসরকারি শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন পিএইচপির পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ সংস্করণ ব্যবহারের কারণে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে।
পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দুর্বলতা শনাক্ত করে সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।
তবে অনেক প্রতিষ্ঠান সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি।
ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে অননুমোদিত প্রবেশ, তথ্য চুরি এবং সেবা অচল করে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট।
ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক। এ পরিস্থিতিতে গত ২২ অক্টোবর সাইবার হামলার সতর্কতা জারির পর গতকাল রোববার আবারও সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে বিজিডি ই-গভ সার্ট।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক খাতে সাইবার হামলার ঝুঁকিও বাড়ছে। অথচ এই ঝুঁকি মোকাবেলায় যথেষ্ট প্রস্তুতি নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) গবেষণা বলছে, দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংকের সাইবার হামলা ঠেকানোর সক্ষমতা নেই।
তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ব্যাংকগুলো বছরে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করলেও এর মাত্র ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তার জন্য।
এমন পরিস্থিতিতে দেশের আর্থিক খাতের সাইবার নিরাপত্তা নতুন করে আলোচনায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামলার আশঙ্কা দেখা দিলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাময়িকভাবে তৎপর হয়।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে সাড়া নেই, নতুন উদ্যোগ।
এই খবরে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে তেমন সাড়া নেই। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেষ হওয়া দরপত্রেও অংশ নেয়নি কোনো কোম্পানি।
একই পরিণতি এড়াতে চায় বর্তমান সরকার। তাই সমুদ্রে বিদেশি কোম্পানির বিনিয়োগ আনতে তৎপর জ্বালানি বিভাগ।
বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করে মতামত নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে দরপত্র জমার সময় চার মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, সম্প্রতি মোট ১০টি বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে আলাদা করে লন্ডনে বৈঠক হয়েছে। চলমান দরপত্র ও উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) নিয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে। নতুন পিএসসি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট।
বিনিয়োগের ঝুঁকি ও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করে দরপত্রে অংশ নিতে চায় এসব কোম্পানি।
এতে বলা হয়েছে, সারাদেশে রান্নার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট চলছে। সংকটকে পুঁজি করে এলপিজি ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করছে এই গ্যাস।
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এ মাসে ২৫২ টাকা বাড়ানোর পরও কিনতে হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দামে। এর মধ্যেই আরেক দফা দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ দেশে এলপিজি সংকট এবং আসন্ন শীত মৌসুম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এলপিজির সংকটের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সামনে শীত মৌসুমে ইউরোপে গ্যাসের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে দেশে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তরল জ্বালানি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে— যোগ করেন তিনি।
Skip বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ: and continue readingবিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
খবরটিতে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের একক দাম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় বেড়েছে কম।
এর মূল কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশ কম খরচের পণ্যের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয় এবং এখনও সুতি কাপড়ের তৈরি পোশাকের ওপরই বেশি নির্ভরশীল।
মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের 'অফিস অক টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল' এবং ইউরোস্ট্যাট-এর ১০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের একক দাম ৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।
একই সময়ে ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির হার ছিল ১০ দশমিক ৫ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রে ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ; অন্যদিকে চীনের ক্ষেত্রে এই মূল্য ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের একক মূল্য ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে।
একই সময়ে ভিয়েতনামের ১২ দশমিক ২ শতাংশ এবং তুরস্কের ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, চীন ও ভারতের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২ দশমিক ৬ শতাংশ ও ১ দশমিক ২ শতাংশ।
খবরটিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের জাপান সফরের সময় দেশটি থেকে নেওয়া ঋণের সুদহার পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাবে বাংলাদেশ। এই সুদের হার বর্তমানে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
এছাড়া, সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিক অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর জন্য উপযুক্ত গ্রেস পিরিয়ডসহ ৪০ বছর মেয়াদী ঋণের প্রস্তাব করবে।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও আরও তিন বছর পর্যন্ত যেন নমনীয় শর্তে ঋণ সুবিধা অব্যাহত থাকে, সেই অনুরোধও জানানো হবে।
আজ সোমবার থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে সরকারের একটি প্রতিবেদনে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরনো ও জরাজীর্ণ যানবাহনে ব্যাহত হচ্ছে পুলিশের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম। অনেক গাড়ির ফিটনেস, যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।
পুলিশের তথ্য বলছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ ও মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে প্রায় ৬৪ শতাংশ যানবাহন এখন জরাজীর্ণ।
গণঅভ্যুত্থানে পটপরিবর্তনের পর পুলিশের সবকটি ইউনিটে প্রকট আকার ধারণ করে যানবাহন ব্যবস্থাপনা। থানা ও ফাঁড়িগুলোতে যানবাহন নেই বললেই চলে। গাড়ির অভাবে ঠিকমতো অপারেশন কার্যক্রম চালাতে পারছে না পুলিশ।
তবে নতুন যানবাহন ক্রয় করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা রয়েছে। ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার পাঁচ হাজার ৮৩০টি নতুন যানবাহন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তারপরও যানবাহনের ঘাটতি থাকবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। নতুন যানবাহন আসতে তিন বছরের বেশি সময় লেগে যাবে।
Source: BBC Bangla · BBC News বাংলা
At a glance
- Topic
- World
- Country
- 🇧🇩 BD
- Publisher language
- BN
- Added to Allnira