ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ, তবু জ্বর-শরীর ব্যথা: নতুন কোনো ভাইরাস ছড়াচ্ছে কি?
কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন
ছবির উৎস, Getty Images
Published ২ মিনিট আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
তিন থেকে চার দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন জাহিদুল ইসলাম। শরীরের তাপমাত্রা উঠেছিল ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত। সঙ্গে ছিল প্রচণ্ড শরীরব্যথা, মাথাব্যথা এবং একধরনের শুষ্কতার অনুভূতি।
সদ্য পাস করা এই চিকিৎসক জ্বরের দ্বিতীয় দিনেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। উপসর্গ দেখে প্রথমে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি।
বুকের এক্স-রেতেও কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি। শুধু রক্তে সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন বা সিআরপির মাত্রা সামান্য বেশি পাওয়া যায়, যা শরীরে সংক্রমণ বা প্রদাহের ইঙ্গিত দিতে পারে।
তবে এতসব পরীক্ষার পরও ঠিক কী কারণে জ্বর হয়েছিল, তা শনাক্ত করা যায়নি।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, "পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসক তখন এটিকে ভাইরাসজনিত জ্বর বলে ধারণা করেছিলেন। তাই ভাইরাল জ্বর হিসেবেই চিকিৎসা নিয়েছি।"
জ্বর তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সেরে গেলেও পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লেগেছে মি. হাসানের।
"জ্বর চলে যাওয়ার পরও প্রায় সাত দিন শরীরে দুর্বলতা ও ক্লান্তি ছিল। এবারের জ্বরের অভিজ্ঞতা কিছুটা আলাদা। বিশেষ করে শরীরে শুষ্কতা, ক্লান্তি ও অবসাদ বেশি অনুভব করেছি," বলেন তিনি।
বাংলাদেশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত এই চিকিৎসক জানান, তার অনেক সহকর্মী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ায় নিজের জ্বর নিয়েও শুরুতে উদ্বিগ্ন ছিলেন।
Skip সর্বাধিক পঠিত and continue reading
সর্বাধিক পঠিত
End of সর্বাধিক পঠিত
তবে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই ওষুধ ও বিশ্রাম নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।
জাহিদুল ইসলামের মতো বর্তমানে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা ও দুর্বলতার উপসর্গ নিয়ে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু পরীক্ষা করানোর পরও কারও কারও নির্দিষ্ট কোনো রোগ শনাক্ত হচ্ছে না।
এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, এসব জ্বরের পেছনে কি নতুন কোনো ভাইরাস রয়েছে? নাকি পরিচিত ভাইরাসগুলোর সংক্রমণই এর কারণ?
Skip বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন: and continue readingবিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
ছবির উৎস, Getty Images
নতুন কোনো ভাইরাস ছড়াচ্ছে কি?
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সাম্প্রতিক সময়ে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটছে, এমন প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইইডিসিআর।
প্রতিষ্ঠানটির ভাইরোলজী বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. আহমেদ নওশের আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু ও হামসহ কয়েকটি পরিচিত রোগের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। এর বাইরে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণও হতে পারে।
"আমাদের কাছে নতুন কোনো কিছু শনাক্ত হয়নি। আমরা নিয়মিত কিছু পরীক্ষা করি। ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্তের জন্য আমাদের একটি ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে আসা নমুনাগুলো পরীক্ষা করা হয়। তবে সারা বাংলাদেশের সব রোগীর পরীক্ষা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়," বলেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও রোগীর শরীরে অন্য কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ থাকতে পারে।
বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা, রেসপিরেটরি সিনসিশিয়াল ভাইরাস বা আরএসভি এবং অ্যাডিনোভাইরাসের মতো পরিচিত ভাইরাসের সংক্রমণেও জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
তবে এসব রোগের ক্ষেত্রে সব সময় পরীক্ষাগারে ভাইরাস শনাক্ত করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করেই চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
অধ্যাপক নওশের আলম বলেন, "কোনো রোগী ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার পরীক্ষা করালেন, কিন্তু কিছু পাওয়া গেল না। এরপর চিকিৎসক যদি আর কোনো পরীক্ষা না দেন এবং রোগী সুস্থ হয়ে যান, তাহলে তার জ্বরের নির্দিষ্ট কারণ আর শনাক্ত করা হয় না।"
এ কারণে ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ আসা সব রোগীর নমুনায় অন্য ভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা করা হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
তার মতে, এ ধরনের রোগীদের মধ্যে অন্য কোনো ভাইরাসজনিত সংক্রমণ থাকতে পারে। কিন্তু নির্দিষ্ট পরীক্ষা ছাড়া সেটি কোন ভাইরাস, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
বর্তমানে দেশে কোন কোন ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, এমন প্রশ্নে তিনি ডেঙ্গু, হাম ও ইনফ্লুয়েঞ্জার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে আরএসভি এবং অ্যাডিনোভাইরাসের মতো শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণও হতে পারে বলে জানান।
ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমি প্রবণতা সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। এরপর সংক্রমণ কমতে থাকে। তবে বছরের অন্য সময়েও কিছু রোগী পাওয়া যায়।
ছবির উৎস, Getty Images
পরীক্ষায় কিছু ধরা পড়ছে না কেন?
চিকিৎসকরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসজনিত জ্বরের রোগী পাওয়া যাচ্ছে। তবে কোন ভাইরাসের কারণে এসব জ্বর হচ্ছে, তা সব ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. নেলসন তাপস মণ্ডল বলেন, "আমরা মূলত ডেঙ্গুর পরীক্ষা করছি। কোভিড বা অন্যান্য ভাইরাসের পরীক্ষা সেভাবে করা হচ্ছে না।"
তার ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক রোগী ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। কিন্তু পরীক্ষায় সবার ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে না। কারও কারও রক্ত পরীক্ষায় রক্তকণিকার সংখ্যায় কিছু পরিবর্তন পাওয়া যাচ্ছে, আবার অনেকের পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য কোনো অস্বাভাবিকতাও পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ধরনের কিছু রোগীর সুস্থ হতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে বলেও জানান তিনি।
নতুন কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই।
তার মতে, নতুন কোনো ভাইরাস কি না, তা শনাক্তের জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সব রোগীর পক্ষে এই খরচ বহন করা সম্ভব নয়। আবার সব ভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষার সুবিধাও সব জায়গায় নেই।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (পূর্বের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মেডিসেন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ মনে করেন, জ্বরের কারণ হিসেবে নতুন কোনো ভাইরাসের কথা ভাবার আগে পরিচিত রোগগুলোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা জরুরি।
তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, "বছরের এই সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সাধারণ ভাইরাসের সংক্রমণও হচ্ছে। আবার টাইফয়েড, নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য কারণেও জ্বর হতে পারে।"
বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে জ্বরের পেছনে ভিন্ন ধরনের সংক্রমণও থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং কোভিড-১৯-এর মতো রোগের উপসর্গে অনেক মিল রয়েছে। ফলে শুধু জ্বর, মাথাব্যথা কিংবা শরীরব্যথার ভিত্তিতে কোন রোগ হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। আবার ডেঙ্গুর পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেই যে রোগটি হয়নি, তা ধরে নেওয়া যাবে না। কারণ, কোন পরীক্ষা করা হয়েছে এবং জ্বর শুরুর কত দিন পর তা করা হয়েছে, তার ওপরও ফলাফল নির্ভর করে।
ছবির উৎস, Getty Images
জ্বরের প্রকোপ কি এবার বেশি?
চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি রয়েছে।
ডা. নেলসন তাপস মণ্ডল বলেন, বর্তমানে নতুন করে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে না হলেও তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, এমনটিও বলা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সময় সাধারণত জ্বরের প্রকোপ বাড়তে দেখা যায়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন সংক্রমণের কারণেও জ্বরের রোগী বাড়তে পারে।
"এখন অক্টোবর মাস। এই গরম, এই বর্ষা, আবার শীত আসি আসি করছে। তাই, প্রায় প্রতি বছর-ই বছরের এই সময়টাতে মানুষের জ্বর-ট্বর বেশি হয় বাংলাদেশে," ব্যাখ্যা করেন তিনি।
তবে এবার সত্যিই বেশি মানুষ জ্বরে ভুগছেন কি না, তা বুঝতে হাসপাতালগুলোতে কত রোগী আসছেন এবং রোগের বিস্তার নিয়ে কী ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
এদিকে, অনেক রোগীর ডেঙ্গু নেগেটিভ আসার পরও তাদের মধ্যে ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।
ডেঙ্গুতে সাধারণত হঠাৎ তীব্র জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরব্যথা, বমিভাব ও ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। আর চিকুনগুনিয়ায় জ্বরের সঙ্গে জয়েন্টে তীব্র ব্যথা দেখা দিতে পারে।
ইনফ্লুয়েঞ্জার ক্ষেত্রেও জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, সর্দি-কাশি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
ফলে একই ধরনের উপসর্গের পেছনে একাধিক রোগের সম্ভাবনা থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।
ছবির উৎস, Getty Images
জ্বরে আক্রান্ত হলে কী করবেন, কোন লক্ষণগুলো বিপজ্জনক?
জ্বরের কারণ যা-ই হোক, বর্তমানে ডেঙ্গুর সম্ভাবনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, অনেক সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মধ্যে রোগটির চিরাচরিত লক্ষণগুলো দেখা যায় না। ফলে সাধারণ জ্বর ভেবে অবহেলা করলে রোগীর অবস্থা হঠাৎ গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।
"ডেঙ্গু এখন প্রচুর হচ্ছে। অনেক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, মারাও যাচ্ছেন। তাই যে কারণেই জ্বর হোক, ডেঙ্গুর বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে," বলেন তিনি।
তার মতে, অনেকে সাধারণ ভাইরাসজনিত জ্বর মনে করে পরীক্ষা করাতে কিংবা চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেন। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো কোনো রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে।
বিশেষ করে রক্তচাপ কমে যাওয়া, নাড়ির স্পন্দন দুর্বল হয়ে পড়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া কিংবা হঠাৎ অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দেওয়া গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে হঠাৎ আচরণ ও শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
"দেখা যায়, একটা শিশু কিছুক্ষণ আগেও স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করছিল। হঠাৎ করেই সে নিস্তেজ হয়ে পড়েছে, দুর্বল হয়ে গেছে। এ ধরনের লক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে," বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।
এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি, লিভার, হৃদরোগ কিংবা ক্যানসারের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জ্বর হলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তক্ষরণ, অস্বাভাবিক অস্থিরতা বা নিস্তেজ হয়ে পড়ার মতো লক্ষণও বিপজ্জনক হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুতে জ্বর কমে যাওয়ার পরও জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই জ্বর নেমে গেলেই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছেন, এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়।
জ্বরে আক্রান্ত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং বেশি করে পানি ও তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এনাম মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. নেলসন তাপস মণ্ডল বলেন, অধিকাংশ রোগী প্রয়োজনীয় বিশ্রাম, পর্যাপ্ত তরল খাবার এবং উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
তার মতে, জ্বর ও শরীরব্যথা কমাতে প্রয়োজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
একই পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, জ্বর হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিজের ইচ্ছামতো ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে ডেঙ্গুর আশঙ্কা থাকলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ব্যথানাশক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা ঠিক নয়।
Source: BBC Bangla · BBC News বাংলা
At a glance
- Topic
- World
- Country
- 🇧🇩 BD
- Publisher language
- BN
- Added to Allnira